আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করুন অনলাইন থেকে

আর্টিকেল লিখে টাকা আয়

আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করুন অনলাইন থেকে,প্রতি মাসে মিনিমাম 10 হাজার থেকে 20 হাজার টাকা।  অনলাইনে ইনকামের যত ধরনের  কাজ আছে তার মধ্যে সবচাইতে সহজ এবং সবচাইতে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং মানে লেখালেখি করে আয় করা। 

প্রত্যেকে চাইলে অনলাইনে লেখালেখি করে ইনকাম করতে পারে।  ব্লগিং বা অনলাইনে লেখালেখি করে ইনকাম সম্পূর্ন ফ্রি একটি মাধ্যম। এখানে আপনাকে কখনই কোন ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে না।

ব্লগিং করা থাকে আপনাকে ব্লগিং সম্পর্কে সকল ধরনের kখুঁটিনাটি বিষয়গুলো জানতে হবে এবং আপনাকে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করতে হবে ব্লগিং সম্পর্কে। 

এই পোস্টটি ইংরেজিতে পড়ুনঃ

ব্লগিং কি?

একবারে সহজ কথায় বলতে গেলে ব্লগিং মানে হচ্ছে লেখালেখি করা। মনে করুন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে আপনি সেখানে লেখালেখি করেন এটাই হচ্ছে ব্লগিং।  বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে এবং একেক জন একেক বিষয় নিয়ে ব্লগ লিখে থাকে। মনে করুন কেউ টেকনোলজি নিয়ে ব্লগিং করে মানে টেকনোলজি নিয়ে লেখালেখি করে।  আবার কেউ নিউজ নিয়ে ব্লগিং করে।  কেউবা ব্লগিং করে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্টের রিভিউ অথবা গল্প অথবা জীবন বৃত্তান্ত।

ব্লগিং করে আয় করার জন্য কি কোন ইনভেস্টমেন্ট লাগে?

অনলাইনে ব্লগিং করার জন্য কোন ধরনের ইনভেস্টমেন্ট লাগেনা।  সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগিং করতে পারবেন।  তবে ব্লগিং করার জন্য আপনার কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী লাগবে যেগুলো ছাড়া আপনি ব্লগিং নিয়ে শুরু করতে পারবেন না।

 ব্লগিং করতে কি কি  লাগে?

 ব্লগিং শুরু করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস লাগবে সেগুলো হচ্ছে,

১।  একটি ডোমেইন লাগবে

২।  হোস্টিং লাগবে তবে আপনি চাইলে ব্লগারে ফ্রি হোস্টিং ব্যবহার করতে পারেন।

৩। আপনার ল্যাপটপ বা মোবাইল লাগবে

৪। ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে.

তবে ব্লগিং থেকে আয় করার আগে আপনাকে একটি কমপ্লিট ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে।   আপনি চাইলে ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন।  যদি আপনার কাছে   পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থেকে থাকে তাহলে আপনি একটি অ্যাডভান্স লেভেলের ওয়েব সাইট তৈরী করে নিতে পারেন ডেভলপারের  মাধ্যমে।

 কিন্তু আপনি চাইলেই ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট খুব সুন্দর হয়ে তৈরি করে নিতে পারবেন।  পরবর্তীতে যখন আপনি এডভান্স লেভেলে চলে যাবেন যখন আপনি একটি ভাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন।  শুরুতেই আপনাকে এডভান্স লেভেলের ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রয়োজন নেই বলেই আমি মনে করি।


কি কি উপায়ে ব্লগিং করে আয় করা যায়?

 তিনটি উপায়ে ব্লগিং থেকে আয় করা যায় সেগুলো হচ্ছে,

১। গুগল এডসেন্স থেকে:

ব্লগিং বা ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম এর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমটি হচ্ছে গুগল এডসেন্স।  ব্লগিং করে কিন্তু  গুগল এডসেন্স থেকে আয় করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।  অনলাইনে যারাই ব্লগিং করে প্রত্যেকে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করে থাকেন।

 তবে এডসেন্স থেকে আয় করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগলের এডসেন্স   অ্যাপ্রভাল লাগবে।  গুগল অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে সুন্দরভাবে তৈরি করে নিতে হবে।   যে সকল নিয়ম মানলে আপনি গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাবেন সকল নিয়ম আপনাকে মেনে চলতে হবে।

 গুগলের নিয়মবহির্ভূত কোন কাজ করলে আপনি কিন্তু কখনোই গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল পাবেন না।  আপনাকে গুগোল এর সকল নিয়ম মেনেই  গুগল অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল নিতে হবে।

 অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাওয়ার জন্য এই পোস্টটি পড়ুন: 

২। স্পন্সরশীপ থেকে আয় :

ব্লগিং থেকে আয় করার একটি উপায় হচ্ছে স্পন্সরশিপ। অনলাইনে অনেক কোম্পানি আছে যারা তাদের বিজনেসকে আর বেশি প্রতিষ্ঠা বা পপুলার করার জন্য স্পন্সর প্রোভাইড করে থাকে।

আপনাকে সেসব কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে যারা স্পনসর্শিপ প্রোভাইড করে থাকে। আপনি তাদের থেকে স্পন্সরশিপ নিয়ে আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে সেগুলো কে ডিসপ্লে করবেন। যার ফলে তারা আপনাকে অর্থ দেবে।

বিভিন্ন ধরনের সাইট আছে যেখান থেকে আপনি যারা স্পনসর্শিপ দিয়ে থাকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। আপনার সাইট যখন পপুলার হয়ে যাবে তখন আপনি অটোমেটিক্যালি অনেক অফার পাবেন স্পন্সরশীপের জন্য।

কত টাকা আয় হবেঃ

আপনার ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি এর উপর আপনার স্পন্সরশীপ থেকে আয় আসবে। আপনার ওয়েবসাইটে যদি বেশি ভিজিটর থাকে সেক্ষেত্রে আপনি স্পন্সরশীপ এর জন্য বেশি টাকা পাবেন।

৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয়:

এডসেন্স এর পর ব্লগিং থেকে আয় এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাধ্যমটি হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ব্লগিং দ্বারা প্রতি মাসে আমি চাইলে 500 থেকে 1000 ডলার ইনকাম করতে পারবেন।  অনলাইনে যারা ব্লগিং করে প্রত্যেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সঙ্গে যুক্ত।  কারণ আমরা যখন ব্লগে আর্টিকেল লিখি তখন বিভিন্ন সাইটের রেফারেল লিংক দিয়ে থাকে যা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

 আমাদের জানতে হবে এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

 একবারে সহজ কথায় বলতে গেলে আমার একটি কোম্পানি আছে সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট আপনি বিক্রি করে দিবেন তার বিনিময় আমি সেই প্রোডাক্টের প্রকৃতির কিছু অংশ আপনাকে  দিব।  অনলাইনে  অনেক কোম্পানি আছে যারা এফিলিয়েট কমিশন প্রদান করে থাকে।  আপনি চাইলে এই সব কোম্পানির এফিলিয়েট এ কাজ করতে পারেন।

 অ্যাফিলিয়েট এর টাকা হাতে নেওয়ার উপায়?

 আপনি যে সাইটের অ্যাফিলিয়েট এ কাজ করবেন তারা আপনাকে একটি  অ্যাফিলিয়েট একাউন্ট প্রদান করবেন। আপনার আয়কৃত টাকা সেখানে জমা হবে।  পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা হওয়ার পর আপনি সেখান থেকে তারা উত্তোলন করতে পারবেন।

কিছু শেষ কথাঃ

 আশা করছি উপরের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার পর আপনি জানতে পারবেন কিভাবে আপনি ব্লগিং থেকে  আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করতে পারবেন।  তবে আপনাকে একটা জিনিস মাথা রাখতে হবে, অবশ্যই একটি ইউনিক আর্টিকেল এবং কোয়ালিটি ফুল আর্টিকেল লিখতে হবে।

 যদি যেমন-তেমন আর্টিকেল লিখে তা পাবলিশ করে দেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি কখনোই সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। ব্লগিং সেক্টরে তাই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে ব্লগিং থেকে সফলতার মূল চাবি হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং।  একটা কথা প্রচলিত আছে   “আর্টিকেল ইস কিং”।

 ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন আপনাদের বন্ধুদের সাথে, আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করতে চায় 

আরও পড়ুনঃ

ইউটিউব থেকে আয়

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করুন

ব্লগিং বিষয়ে জানতে ভিজিট করুনঃ Atozbloggingtips

আমার দেওয়া কিছু সার্ভিসঃ 

প্রথম সার্ভিসঃ install and configure yoast seo premium for wordpress

দ্বিতীয় সার্ভিসঃ build a responsive wordpress website or wordpress design

তৃতীয় সার্ভিসঃ wordpress theme customization

2 Comments on “আর্টিকেল লিখে টাকা আয় করুন অনলাইন থেকে”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twelve − 7 =